
নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ আজ আন্তর্জাতিক শব্দসচেতনতা দিবস। বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালন করা হচ্ছে শব্দদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে। দিবসটি উপলক্ষে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এক বার্তায় জানিয়েছে—শব্দদূষণ একটি নীরব ঘাতক, যা মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, অতিরিক্ত শব্দ মানুষের শ্রবণশক্তি হ্রাস, উচ্চ রক্তচাপ, মানসিক চাপ ও ঘুমের ব্যাঘাতসহ নানা শারীরিক ও মানসিক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। শহরাঞ্চলে যানবাহনের হর্ন, নির্মাণকাজ, লাউডস্পিকার ও শিল্পকারখানার শব্দদূষণ দিন দিন বাড়ছে, যা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।
এ প্রেক্ষাপটে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রণালয় বলেছে, অপ্রয়োজনীয় হর্ন বাজানো থেকে বিরত থাকা, উচ্চস্বরে মাইক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা এবং নির্ধারিত নিয়ম মেনে শব্দ উৎপাদনকারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হবে।
দিবসটির মূল লক্ষ্য হচ্ছে—ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে শব্দদূষণ কমিয়ে একটি সুস্থ ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তোলা। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে শব্দদূষণ আরও বড় স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পরিণত হতে পারে।
সচেতনতা ও দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমেই শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব—এমনটাই জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।