
আব্দুল্লাহ আল মামুন হরিনাকুন্ডু সংবাদদাতা,ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডা উপজেলার কাঁচাবাজার গুলোতে পলিথিন নিষিদ্ধ করণ অভিযান চালিয়ে হরিনাকুন্ডুর ৩টি মুদিখানার দোকান থেকে পলিথিনের ব্যাগ উদ্ধার সহ ২০০০ টাকা জরিমানা করেন।
২৯-১২-২০২৫ ইং রোজ সোমবার বেলা ৩টায়
মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন জনাব সৈয়দ জাদী মাহবুবা মঞ্জুর মৌনা, সহকারী কমিশনার(ভূমি), হরিণাকুন্ডু, সহ মোঃ মুনতাজুর রহমান, সহকারি পরিচালক বোন বিভাগ ঝিনাইদহ।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় জনাব মো: আল ইমরান, এস,আই, বাংলাদেশ পুলিশ, হরিণাকুন্ডু থানা উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
পলিথিন ব্যাগ নিষিদ্ধের ব্যাপারে, সৈয়দ জাদী মাহবুবা মঞ্জুর মৌনা, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে বলেন, সরকারের এই নির্দেশ যাঁরা অমান্য করবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ কথা বলা হয়েছে। পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার বন্ধে মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে কঠোর ‘মনিটরিং’ চালু হয়েছে। পাশাপাশি পলিথিন উৎপাদন কারীদের বিরুদ্ধেও অভিযান চালানো হবে।শহরের সুপারশপে পলিথিন বা পলিপ্রপিলিনের ব্যাগ নিষিদ্ধ করা হয়। মন্ত্রণালয় বলেছে, কোনো সুপারশপ যদি পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার করে, তাহলেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সারা দেশের জেলা-উপজেলা পর্যায়ে পলিথিন ব্যবহারের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয়েছে।
ইতিমধ্যে জেলা-উপজেলার সুপারশপ গুলোতে পলিথিনের বিকল্প হিসেবে পাট, কাপড় ও কাগজের তৈরি ব্যাগের ব্যবহার শুরু হয়েছে। তবে এসব ব্যাগের সরবরাহ পর্যাপ্ত বলে জানা গেছে।পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার বন্ধে কঠোর মনিটরিং চালু করা হবে। পলিথিন উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে। ২০০২ সালে ১ মার্চ আইন করে বিষাক্ত পলিথিন উৎপাদন, বিপণন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করে বাংলাদেশ। তবে দেশে পলিথিনের ব্যবহার কমেনি; বরং গত দুই দশকের বেশি সময় ধরে পলিথিনের উৎপাদন ও ব্যবহার বাড়তে দেখা গেছে। এরপর সরকার ২০১০ সালে আরেকটি আইন করে। কিন্তু এই আইনও বাস্তবে কোনো কাজ দেয়নি বলে ব্যবসায়ী, ঠিকেদার, সাধারণ মানুষের দাবি।