
আবদুল্লাহ আল মামুন হরিনাকুন্ডু সংবাদদাতাঃ ,১২-০১২০২৬ তারিখ বিকাল ৪:৩০
ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার জোড়াদহ ইউনিয়নের জটারখালি বাজারে দাঁড়িয়ে অবৈধ মোটরসাইকেল আরোহীদের সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী তিনটা মোটরসাইকেল জব্দ করেন এবং মামলা সহ আরোও ২ টি মোটরসাইকেল আরোহীর ১২০০ টাকা জরিমানা করেন,মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে।
উক্ত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন জনাব সৈয়দ জাদী মাহবুবা মঞ্জুর মৌনা, সহকারী কমিশনার(ভূমি), হরিণাকুন্ডু, ঝিনাইদহ।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় জনাব বিপুল এস,আই, বাংলাদেশ পুলিশ, হরিণাকুন্ডু থানা উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন। এ সময় মোটরসাইকেল আরোহীদের আইনের ধারাগুলো বর্ণনা করেন,
দুর্ঘটনাঃ ১৪৯ ধারার অন্তর্গত হয়ে দুর্ঘটনা ঘটে তাহলে দৈহিক জখম বা সম্পত্তির ক্ষতি হলে সর্বোচ্চ ৩ মাসের কারাদণ্ড অথবা ১০০০ টাকা জরিমানা।
কালো ধোঁয়া বের হওয়া মটোরযান চালনাঃ ১৫০ ধারাই কালো ধোঁয়া নিঃসরণকারী গাড়ি চালালে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা অর্থদণ্ড হবে।
মোটরযান বিধিমালার সাথে অসঙ্গতি রেখে গাড়ি বিক্রয় ও পরিবর্তন সাধনঃ১৫১ ধারাই অপরাধের সর্বোচ্চ ২ বছর মেয়াদী কারাদণ্ড, কিংবা ৫০০০ টাকা জরিমানা।
রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস সার্টিফিকেট বা পারমিট ছাড়া মোটরগাড়ি ব্যবহারঃ ১৫২ ধারা অনুসারে, ৩ মাসের কারাদণ্ড অথবা ২০০০ টাকা জরিমানা,যদি দ্বিতীয়বার হয় ৬ মাসের কারাদণ্ড অথবা ৫০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা।
অনুমোদিত ওজনের চাইতে বেশি ভারী গাড়ি চালনাঃ১৫৪ ধারা অনুযায়ী, প্রথমবার সংঘটনের জন্য ১০০০ টাকা, অর্থদণ্ড এবং একই অপরাধের জন্য ৬ মাস কারাদণ্ড অথবা ২০০০
টাকা পর্যন্ত জরিমানা।
অবিমাকৃত মোটরযান চালনাঃ
১৫৫ ধারা অনুসারে ২০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
অনুমতিবিহীন গাড়ি চালনাঃ
১৫৬ ধারা অনুযায়ী, ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা ২০০০ টাকা জরিমানা।
মোটরযান আইন মেনে চলুন এবং আপনার নিজের এবং অপরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুণ।
এছাড়াও নির্বাচনী আচরণ বিধি প্রতিপালনের লক্ষ্যে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে পোষ্টার ব্যানার অপসারণ করা হয়, সরিয়ে নেওয়ার জন্য সবিনয় অনুরোধ করছি।