চাঁদাবাজদের প্রতিহিংসার স্বীকার সঞ্জয় মন্ডল
সোহেল রায়হান, জেলা প্রতিনিধি (পিরোজপুর) ঃ
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার গুয়ারেখা ইউনিয়নের বিশাল গ্রামের একজন স্থায়ী বাসিন্দা বাবু সঞ্জয় মন্ডল। সরেজনিনে এলাকাবাসীর তথ্য মতে জানা যায়, তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী। তিনি অনেক কষ্ট ও পরিশ্রম করে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনি একজন ধর্মপ্রাণ সনাতন (হিন্দু) পরিবারের সন্তান। তার ব্যবসায়ের কিছু অংশ থেকে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সামর্থ্য অনুযায়ী সার্বিকভাবে সহযোগিতা করে আসছেন। এছাড়া বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম করে আসছেন। তার কাছে কতিপয় চাঁদাবাজ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কৌশলে চাঁদা দাবি করেন। তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র শুরু করেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে ফেসবুক সহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সামাজিক ভাবে হেও প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সঞ্জয় মন্ডল বলেন, আমি অনেক কষ্ট ও পরিশ্রম করে বাবা মায়ের আশীর্বাদে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছি।আমি এদেশের একজন নাগরিক। নিজের বাবার ভিটায় বাড়ি করছি আমি চাঁদা দিবো কেন? তাতে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করলে আমার কিছু যায় আসে না। আমি আমার জায়গায় সঠিক আছি। সরকার কে ভ্যাট ট্যাক্স দিয়ে এদেশে ব্যবসা করি। আমি কোন চাঁদাবাজ এর সাথে আপোষ করবো না এবং এসকল চাঁদাবাজ ও কুচক্রী মহলের অপপ্রচার এবং হুমকী ধামকির বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমি প্রশাসনের কাছে এর যথাযথ বিচারের দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয় স্থানীয় বিএনপি নেতা পলাশ মন্ডলকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ২৪ এর ৫ আগষ্টের পরে আমার উপজেলায় অনেক হিন্দু চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদা দাবি করার খবর শুনেছি। তবে নিরাপত্তার জন্য অনেকে সরাসরি অভিযোগ করতে রাজি হয় নি। তিনি হুশিয়ারী দিয়ে বলেন, চাঁদাবাজ, দূর্নীতিবাজ ও কুচক্রীমহল, অপপ্রচারকারীদের কার্যক্রম চলতে দেওয়া যাবে না। আমরা সনাতনীরা ভদ্র তবে দুর্বল নই। দেশে ন্যায়বিচার ও শান্তি শৃঙ্খলা বজায় থাকুক এটাই আমাদের প্রত্যাশা। আমি প্রশাসন এবং উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি, সঠিক তদন্তের মাধ্যমে তারা যেন কঠোর হস্তে এই চাঁদাবাজদের দমন করে। নইলে সরকার ও দেশ ভবিষ্যতে কঠিন রাজনৈতিক সংকটে পরতে পারে।


