মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
তাড়াশে ধাপ ওয়াশীন উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মান উন্নয়নে মতবিনিময় সভা থানচিতে ৩৮ বিজিবির অভিযান ও মানবিক কার্যক্রমে প্রেস ব্রিফিং। পিরোজপুর জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রতিমন্ত্রীর বিভিন্ন দিকনির্দেশনা Paoloscarpasindaco: Redefining the Art of Football Boots Through Craftsmanship and Feel নেছারাবাদের গণমান থেকে আইনাঙ্গনের আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মোহাম্মদ ছফওয়ান তাড়াশে চলনবিল পুনরুদ্ধারে সম্ভাব্যতা যাচাই নিয়ে মতবিনিময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা অপপ্রচারের অভিযোগ শাহ আলম ফকিরের দৌলতপুরে শিক্ষিকার বদলি ঠেকাতে মানববন্ধনে হামলা, আহত ১০-১২ থানচিতে পর্যটকবাহী চাঁদের গাড়ি দুর্ঘটনায় নিহত ২, আহত ৫।

পেকুয়া নারীর উপর নারকীয় হামলার ঘটনায় মামলা নেয়নি এখনো

প্রতিবেদকের নাম / ৬৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধি (কক্সবাজার পেকুয়া)ঃ কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার টইটং ইউনিয়নের ধনিয়াকাটা এলাকায় গত ১৩ এপ্রিল বাড়ির সীমানা বিরোধের জেরে নারকীয় হামলা চালিয়ে হত্যা চেষ্টা চালায় হাবিবুর রহমান ও তার স্বজনরা।
হামলার ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী রুকিয়া বেগমের স্বামী। অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে সরেজমিন গিয়ে তদন্ত করার পর ১ মাস পার হয়ে গেলেও মামলা নেয়নি পেকুয়া থানা।
থানায় দায়ের করা অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, গত ১৩ এপ্রিল ছোট ভাইয়ের বাড়ির পাশে রুকেয়া বেগম তার ক্ষেতে কাজ করতে যায়। কাজের ফাঁকে বাড়ির সীমানা বেড়া মেরামত করারত ছোট ভাইয়ের কাছে যাওয়া মাত্রই ছোট ভাইয়ের প্রতিবেশি হাবিবুর রহমান ও তার স্ত্রী হোছনে আরা বেগম এসে তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে জানে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে চলে যায়। ঐদিন বিকেলে সাবেক মেম্বার রুস্তম আলীকে ডেকে আনে তাদের হুমকির বিষয়ে অভিযোগ জানাতে। সাবেক মেম্বার রুস্তম আলী অভিযুক্ত হাবিবুর রহমানের উঠানে বসে। এতে হাবিবুর রহমান ক্ষিপ্ত হয়ে রুকেয়া বেগমের উপর দা নিয়ে মাতার উপর আঘাত করার সময় হাত দিয়ে ঠেকালে দায়ের কাঁদার আঘাতে ডানহাত ভেঙ্গে যায়। দেখতে পেয়ে রুস্তম মেম্বার ও স্থানীয়রা এগিয়ে এসে উদ্ধার করে পেকুয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। কর্তব্যরত চিকিৎসক রুকেয়া বেগমের আঘাত গুরুতর হওয়ায় চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) প্রেরণ করেন। ঘটনার পরপর পেকুয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে পেকুয়া থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এস আই) সোহেল রানা ঘটনাস্থলে সরেজমিন গিয়ে তদন্ত করে আসার ১ মাস পার হলেও মামলা নেয়নি পেকুয়া থানা।
আহত রুকেয়া বেগম জানান, গত ১৩ এপ্রিল ছোট ভাইয়ের বাড়ির পাশে আমাড ক্ষেতে কাজ করতে যাই। কাজের ফাঁকে বাড়ির সীমানা বেড়া মেরামত করারত ছোট ভাই মিনারের কাছে যাওয়া মাত্রই ছোট ভাইয়ের প্রতিবেশি হাবিবুর রহমান ও তার স্ত্রীর হোছনে আরা বেগম এসে আমাদেরকে গালাগালি করে জানে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে চলে যায়। ঐদিন বিকেলে সাবেক মেম্বার রুস্তম আলীকে ডেকে এনে তাদের হুমকির বিষয়ে অভিযোগ জানাই। সাবেক মেম্বার রুস্তম আলী এসে অভিযুক্ত হাবিবুর রহমানের উঠানে বসে। এতে হাবিবুর রহমান ক্ষিপ্ত হয়ে আমার উপর দা নিয়ে আমার মাতার উপর আঘাত করার সময় আমি হাত দিয়ে ঠেকালে দায়ের কাঁদার আঘাতে ডানহাত ভেঙ্গে যায়। দেখতে পেয়ে রুস্তম মেম্বার ও স্থানীয়রা এগিয়ে এসে উদ্ধার করে আমাকে পেকুয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। কর্তব্যরত চিকিৎসক আমার হাতের আঘাত গুরুতর হওয়ায় চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) প্রেরণ করেন। ঘটনার পরপর আমার স্বামী বাদী হয়ে পেকুয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে পেকুয়া থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এস আই) সোহেল রানা ঘটনাস্থলে সরেজমিন গিয়ে তদন্ত করে আসার ১ মাস পার হলেও মামলা নেয়নি থানা। আমার উপর হামলাকারী হাবিবুর রহমান ও হোসনে আরার দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি চাই প্রশাসনের কাছে।
তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই সোহেল রানা বলেন, অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে সরেজমিন গিয়ে তদন্ত করে ওসি মহোদয়কে অবহিত করেছি। তারা স্থানীয়ভাবে আপোষ মিমাংসার কথা বলে সময় নিয়েছিল বিধায় মামলার প্রক্রিয়ায় যাওয়া হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর