https://www.profitablecpmratenetwork.com/jkbv3chnk3?key=f703ec2f3d153f1792fcf7f58f3d081a
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫৮ অপরাহ্ন

হরিণাকুন্ডুতে কৃষি উৎপাদনে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন

প্রতিবেদকের নাম / ১৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬

আব্দুল্লাহ আল মামুন হরিনাকুন্ডু সংবাদদাতা,ঃ ০৯ টা ৩০ মিনিট, ১১ এপ্রিল ২০২৬,
কৃষি প্রধান দেশ হলেও, অনুন্নত কৃষি ব্যবস্থাপনা আর নদী-খাল শুকিয়ে যাওয়ায় দিনদিন ধ্বংস হচ্ছে কৃষিখাত। কৃষি সেচ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাসহ সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন করা হবে। প্রথম পর্যায়ে ৫৪টি জেলায় চলছে এই কর্মসূচি। টেকসই ও আধুনিকভাবে খাল খনন ও রক্ষণাবেক্ষণ করলে কৃষি বিপ্লব ঘটবে, এরি ধারা বাস্তবায়নে আজ হরিনাকুন্ডু উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ঝিনাইদাহের হরিনাকুণ্ড উপজেলার ভায়না ও জোড়াদহ ইউনিয়নের D-12XK খাল খননের কাজ উদ্বোধন করলেন।

উক্ত উদ্বোধন অনুষ্ঠানের উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ দিদারুল আলমের সভাপতিত্বে ও আব্দুল মমিনের সঞ্চালনায়, উদ্বোধন অনুষ্ঠান ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় ,
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, এডভোকেট আব্দুল মজিদ প্রশাসক, জেলা পরিষদ , ঝিনাইদহ জেলা সভাপতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,
মোঃ আজিজুর রহমান উপজেলা পিআইও অফিসার হরিণাকুন্ডু,
মোঃ আব্দুল হাসান মাস্টার, উপজেলা সভাপতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির হরিনাকুন্ড শাখা।
মোঃ তাইজাল হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির হরিনাকুন্ড শাখা।
অমিত কুমার তদন্ত অফিসার হরিনাকুন্ডু থানা,
মোঃ সাজেদুর রহমান রনি ,সভাপতি ২নং জোড়াদহ ইউনিয়ন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ।
আব্দুল্লাহ আল বাতেন, ক্যাম্প ইনচার্জ জোড়াদহ।
অতিথি মহোদয় তাদের মূল্যবান বক্তব্যে বলেন,
গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি পুনরুজ্জীবনের উদ্দেশ্যে ১৯৭৭ সালে খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। লক্ষ্য ছিলো বর্ষকালের অতিরিক্ত পানি ধরে রেখে, শুষ্ক মৌসুমে কৃষিকাজে সেচ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।শুধু তাই নয়, স্থানীয় জনগণকে সরাসরি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে জিয়াউর রহমান চালু করেন কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি।খাল খনন প্রকল্প দেশের কৃষি ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনে। চাহিদা মিটিয়ে উৎপাদিত চাল বিদেশেও রপ্তানি করা সম্ভব। তবে কালের পরিক্রমায় দখল, ভরাট ও অপরিকল্পিত উন্নয়নে হারিয়ে গেছে অনেক খাল। এতে অনেক এলাকায় দেখা দিচ্ছে জলাবদ্ধতা, আবার কোথাও শুষ্ক মৌসুমে দেখা দেয় তীব্র পানির সংকট।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর