বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৯:০০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
তাড়াশ পৌরসভায় দুস্থ ও অতিদরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্যশস্য বিতরণ থানচিতে ক্যাথলিক রিলিফ সার্ভিস বিতরণ। হরিনাকুন্ডুতে ভ্রাম্যমান আদালতে এক জনের এক মাসের কারাদণ্ড থানচিতে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী নিয়ে ইউনিয়ন পর্যায়ে সংলাপ। তাড়াশে সাবেক এমপি আব্দুল মান্নান তালুকদারের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ধামরাইয়ে কলাবাগানে নিয়ে গৃহকর্মীকে ধর্ষণ, থানায় মামলা ১৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের উদ্যোগে বাকলাইপাড়া আর্মি ক্যাম্পে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। ভেড়ামারায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে আগাম সতর্কতার আহ্বান শফিকুল ইসলাম ডাবলুর লাখো লাখো ভক্তের জয়ধ্বনি ও রথটানের মধ্য দিয়ে ধামরাইয়ে শুরু হলো ঐতিহাসিক শ্রী শ্রী যশ মাধবের রথযাত্রা উৎসব দুর্গম পাহাড়ের বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

চাঁদাবাজ মামলার আসামিরা জামিনে এসে বাদীর নির্মাণাধীন বাড়ি ভাঙচুর, ৫ লক্ষ টাকার মালামাল লুট

প্রতিবেদকের নাম / ৬২ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ১১ মে, ২০২৬

লিটন আহমেদ চন্দন জেলা প্রতিনিধি ( ঢাকা )ঃ ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার শিমুলিয়া ইউনিয়নের অন্তর্গত গোহাইলবাড়ি গ্রামে ১০ই মে রোজ রবিবার সকাল ৭:৩০ ঘটিকার সময় গোলাপি বেগমের নির্মাণাধীন ৯ রুম বিশিষ্ট বাড়িতে হামলা ভাঙচুর ও আনুমানিক পাঁচ লক্ষ টাকার মালামাল লুটের অভিযোগ উঠেছে সন্ত্রাসী, ভূমিদস্যু ও চাঁদাবাজ মামলার আসামি আওলাদ হোসেন বাবর গংদের বিরুদ্ধে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় যে, তিন মাস পূর্বে একটি চাঁদাবাজ মামলায় অভিযুক্ত আসামিরা জামিনে মুক্তি পাওয়ার পরই বাদীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে বাড়ি ভাংচুর করে আনুমানিক চার লক্ষ টাকার মালামাল ক্ষয় – ক্ষতি করে এবং নির্মানাধীন ঘরের লোহার দরজা, জানালা, গ্রিল, রড়, বৈদ্যতিক তার, পানির বৈদ্যুতিক পাম্প, পাইপ ও সেনেটারী সহ আনুমানিক পাঁচ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী গোলাপি বেগম জানান যে,তিন মাস পূর্বে আসামিদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা হয়, কয়দিন যাবত আসামিরা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আমাকে হুমকি দিয়ে আসছিল। মামলা তুলে না নেওয়ায় আসামিরা জামিনে বের হয়েই দেশিয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে দলবল নিয়ে আমার নির্মানাধীন বাড়িতে হামলা করে বাড়ি ভাঙচুর করে এবং বৈদ্যুতিক পানির পাম্পের মটর, পাইপ, ঘরের দরজা, জানালা, গ্রীল, বৈদ্যুতিক তার, রড় ও সেনেটারির মালামাল লুট করে নিয়ে যায় যাহার মূল্য আনুমানিক ৫ লক্ষ টাকা হবে। আমি উপায় অন্তত না পেয়ে ৯৯৯ ও সেনাবাহিনীর আশুলিয়া ক্যাম্পে ফোন দেই পরবর্তিতে ঘটনাস্থলে আশুলিয়া থানার পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্য আসে এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আশেপাশের লোকজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে। আসামিরা খুব খারাপ প্রকৃতির লোক, স্থানীয় জনগণ তাদের ভয়ে সব সময় ভীত থাকে এবং জানের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পায়না। সন্ত্রাসীদের কার্যক্রমে বর্তমানে আমি ও আমার পরিবারের লোকজন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

আশুলিয়া থানা পুলিশ জানিয়েছেন যে, সকাল আটটার দিকে ৯৯৯এর ফোনের ভিত্তিতে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি এবং আশেপাশের লোকজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করি। গোলাপি বেগম বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। অতিদ্রুত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং জামিনের শর্ত ভঙ্গের বিষয়টিও আদালতে জানানো হবে।

এলাকাবাসী দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। জামিনে বেরিয়ে বাদীর উপর এ ধরনের নৃশংস, বর্বর সত্রাসী হামলার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর