https://www.profitablecpmratenetwork.com/jkbv3chnk3?key=f703ec2f3d153f1792fcf7f58f3d081a
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১৬ অপরাহ্ন

ভেড়ামারায় আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসীদের হাতে বিএনপির সাধারণ কর্মী রক্তাক্ত জখম।

প্রতিবেদকের নাম / ৩৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়া ঃ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার ক্ষেমিরদিয়াড় বিশ্বাস পাড়া ওয়ার্ড নং-০৯ এ পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ওই পরিবারের ৬ জনের উপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে, আহত ৬ জন ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে ফিরে যায়। অভিযুক্ত কারি মোঃ মামুন হোসেন (৪০), পিতা: মোঃ লালচাঁদ আলী, বলেন ১। মোঃ সবুজ (৩৪), পিতা: আসাদ ম্যানেজার, ২। মোঃ আসাদ ম্যানেজার (৫৫), পিতা: অজ্ঞাত, ৩। মোছাঃ মদিনা (৪০), স্বামী: আসাদ ম্যানেজার, ৪। মোঃ কামাল (৪৫), পিতা: অজ্ঞাত, সর্ব সাং-ক্ষেমিরদিয়াড় বিশ্বাসপাড়া ওয়ার্ড নং-০৯, পোস্ট: ক্ষেমিরদিয়াড়-৭০৪০, থানা-ভেড়ামারা, জেলা-কুষ্টিয়া।
তারা যে কোন বিষয় নিয়ে সবসময় ঝগড়া ফ্যাসাদ করে। ইতিপূর্বেও ০১ নং আমার পিতাকে ৩বার মারধর করেছে। ০২ নং আমার জমির উপর দিয়ে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে আছে। আমি আমার জমিতে রান্নাঘর নির্মাণ করিতেছি। ০২ নং আসাদ জানাই তোর রান্না ঘরের পানি আমার সীমানা প্রাচীর ওয়ালে পড়বে। আমি আসামীকে জানাই ঈদের পর আমিন নিয়ে এসে জমি মাপযোগ করে আমার ঘর বেঁধে গেলে, আমি ঘর ভেঙ্গে নিব এবং আপনার সীমানা প্রাচীর বেঁধে গেলে আপনি আপনার প্রাচীর ভেঙ্গে নেবেন। ১৮/০৩/২০২৬ ইং তারিখে অনুমান বিকেল ৫:০০ ঘটিকার সময় আসামীগণ আমার বাড়ির ভিতরে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে আমার পিতা লালচাঁদ আলী গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে ০১ নং সবুজ আমার পিতাকে তার হাতে থাকা রড দিতে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় স্ব-জরে আঘাত করে আমার পিতার মাথায় ৭-৮ সেলাই দেওয়া লেগেছে। আমার পিতা ডাক চিৎকার করলে আমার মা ঠেকানোর উদ্দেশ্যে আগাইয়া আসলে আমার মায়ের মাথাতেও হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করে মাথায় ২-৩ টা সেলাই দেওয়া লাগেছে। আমি কাজে থেকে বাড়ি ফিরে আসলে আসামীগণ সকলে মিলে আমাদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে ০২ নং আসামী কামড় দিয়ে আমার চোখের নিচে জখম করে সেখানে ০৩টা সেলাই দেওয়া লাগছে। আমার ভাই মোঃ আব্দুল মান্নান (২৮) ঠেকাইতে আসলে আসামীগণ আমার ভাইয়ের বাম হাত ভেঙ্গে দেয়। আমার ছোট ভাইয়ের ছেলে মাহিন (০৮) বছর আসামীগণ তাকেও মারধর করে। আমার ভাগ্নি মোঃ রাব্বি (২৫) আগাইয়া আসলে ০১ নং তাকে কিলঘুষি সহ নীলাফোলা জখম করে। আমার বড় বোন নাজমা খাতুন (৪৩) ঠেকাইতে আসলে ০১ নং ও ০৩ নং আসামী মিলে কিলঘুষি, লাথি মারে এবং ঘাড়ে ০৩ নং কাঁমড় মেরে জখম করে। আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী মমিতা খাতুন (২৪) ঠেকাইতে গেলে ০১ নং সবুজ এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং ০৪ নং আসামী বাকী আসামীগণকে মারতে সহযোগিতা করে। মারধর সময় ছোট ভাইয়ের স্ত্রী গালায় থাকা ৮আনি স্বর্ণের চেইন যার আনুমানিক মূল্য ১লক্ষ ৩০ হাজার, বড় বোনের কানের ৭আনি স্বর্ণের দুল যার আনুমানিক মূল্য ১লক্ষ ১০ হাজার টাকা আসামীগণ ছিনিয়ে নেয়। আমাদের ডাক চিৎকারে স্থানীয় লোকজন আগাইয়া আসলে আসামীগণ আমাদের প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। ঘটনার উপস্থিত সাক্ষী ১। সিরাই (৫০), পিতা: মৃত আব্দুর রহিম, ২। মেহেরুল (৪৮), পিতা: মৃত মকছেদ আলী ৩। বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইদ (৭০), পিতা: অজ্ঞাত সহ স্থানীয় আরোও অনেকেই ঘটনা দেখে এবং শুনে। আমাদের শারীরিক অবস্থা অংশকা জনক হওয়ায় আমাদের স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর