বংশী নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে বাড়ি ও জমি বিলীনের শঙ্কা
লিটন আহমেদ চন্দন,জেলা প্রতিনিধি ( ঢাকা ) ঃ ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার বংশী নদী থেকে অবৈধ ভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করছে এলাকার প্রভাবশালীরা। নদীর তীরবর্তী ফসলি জমি ও বসতবাড়িসহ বিভিন্ন স্থাপনা নদীর গর্ভে বিলীন হওয়ার শঙ্কায় আছে অনেক সাধারণ মানুষ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অবৈধ ড্রেজার মেশিন চলছে ধামরাই উপজেলার নান্নার ইউনিয়নে গোপালকৃষ্ণপুর বংশী নদীতে ড্রেজার চালিয়ে কালিদাস পট্টি এলাকা ক্লাবের সামনে নদীর বালু দিয়ে নিচু জমি ভরাট করতেছেন। এ বিশয় নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে ও দুই গুরুপে দাওয়া পালটা ধাওয়া হওয়ার পর ও ড্রেজার চালাচ্ছে এলাকার প্রতাপশালী কয়েকজন জাদের নাম তারা মিয়া, বিপুল, রজ্জব, মাসুম এরাই নদীতে ড্রেজার বসিয়ে নদীর বালু উত্তলন করতেছে।
এ বিষয়ে এলাকাবাসী উপজেলা প্রশাসনের নিকট
একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানালেন এলাকাবাসী। এসব বালু উত্তোলনকারি প্রভাবশালীদের ছাড় পাওয়ার জোর কোথায় তা বোধগম্য নয় স্থানীয়দের। ধামরাই উপজেলা প্রসাশনের কাছে এলাকাবাসী লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর উপজেলা প্রসাশন জানালেন, খুব শিগগিরই এই ডেজার বন্ধ করার জন্য মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবেন ।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনা হলেও কয়েকদিন যেতেনা যেতেই আবার চলে বালু উত্তোলন। সেই জন্য বালু উত্তোলনকারিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে পারলে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ হবে। বালু ব্যবসায়ীরা নিজের এলাকার সাধারণ মানুষের কোনো কথা চিন্তা করে না। তারা শুধু ব্যক্তি স্বার্থের কারণে নদী থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা আয় করে থাকে। অনেকে আবার সরকারি দলের নেতাকর্মী পরিচয় দিয়ে প্রভাব খাটিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন করে থাকে বলে জানান স্থানীয় লোকজন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, নান্নার ইউনিয়নের গোপালকৃষ্ণপুর ও কালিদাস পট্টি এলাকায় তারা মিয়া, বিপুল, রজ্জব, মাসুম এরা মিলে একটি মসজিদের পাশে বংশী নদীতে অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলণ করছে। বাড়ির মালিক বাধাঁ দেওয়ার পরও মানছে তাদের কথা। এতে বাড়ির বড় ক্ষতি হতে পারে বলে শঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। এমনকি নদীর নিকটে যারা বসবাস করে তাদের বাড়িঘর এবং ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলিন হওয়ার আশস্কা করছে।
স্থানীয় লোকজন জানান, উপজেলার নান্নার ইউনিয়নের গোপালকৃষ্ণপুর ও কালিদাস পট্টি গ্রামেরতারা মিয়া, বিপুল, রজ্জব, মাসুম চারজনে মিলে বংশী নদীতে একটা ড্রেজার মেশিন বসিয়ে প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে তাদের আবৈধ বালু ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। মানছে না কোন বাঁধা।
ধামরাই উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি)এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রিদওয়ান আহমেদ রাফি সাংবাদিকদর জানান, এ বিশয়ে আমি এখনো জানি না। নাম ঠিকানা বললেন তিনি দ্রুত এর ব্যবস্থা নিবেন। যারা চুপিসারে ড্রেজার চালাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্তা নেওয়া হবে।





