রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
তাড়াশ পৌরসভায় দুস্থ ও অতিদরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্যশস্য বিতরণ থানচিতে ক্যাথলিক রিলিফ সার্ভিস বিতরণ। হরিনাকুন্ডুতে ভ্রাম্যমান আদালতে এক জনের এক মাসের কারাদণ্ড থানচিতে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী নিয়ে ইউনিয়ন পর্যায়ে সংলাপ। তাড়াশে সাবেক এমপি আব্দুল মান্নান তালুকদারের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ধামরাইয়ে কলাবাগানে নিয়ে গৃহকর্মীকে ধর্ষণ, থানায় মামলা ১৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের উদ্যোগে বাকলাইপাড়া আর্মি ক্যাম্পে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। ভেড়ামারায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে আগাম সতর্কতার আহ্বান শফিকুল ইসলাম ডাবলুর লাখো লাখো ভক্তের জয়ধ্বনি ও রথটানের মধ্য দিয়ে ধামরাইয়ে শুরু হলো ঐতিহাসিক শ্রী শ্রী যশ মাধবের রথযাত্রা উৎসব দুর্গম পাহাড়ের বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

ভেড়ামারায় বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়ার অভিযোগ, থানায় মামলা দায়ের

প্রতিবেদকের নাম / ১৫৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার, কুষ্টিয়া জেলা।

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার চাঁদগ্রাম ইউনিয়নের বামনপাড়া এলাকায় ১২ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে আমিরুল ইসলামের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আগুন ধরানোর ঘটনা পূর্ব শত্রুতার কারণে ঘটেছে এবং এর সাথে জড়িত ব্যক্তিরা ইতোমধ্যে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগের মূল কারণ হচ্ছে জমাজমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিলো। এই বিরোধের জেরে ২২ আগস্ট ২০২৩ তারিখে আমিরুল ইসলাম, মোহাম্মদ মেহেদী হাসান এবং মোছা: শাধীনা খাতুনের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়েছিল এবং তাদের বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছিল। ঐ সময়ে তারা গুরুতর আহত হয়ে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এই ঘটনার পর ২২ আগস্ট ২০২৩ তারিখে আমিরুল ইসলামের পুত্রবধূ সুমাইয়া খানম লীনা ভেড়ামারা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। বর্তমানে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ভুক্তভোগী আমিরুল ইসলাম জানান, ১২ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে সন্ধ্যা ৭টায় তার বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। তিনি অভিযোগ করেন যে, আগুন ধরিয়ে দেয়ার পর বিবাদী ব্যক্তিরা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়, যার পর ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে বিশেষ সূত্রে তিনি জানতে পারেন যে, আগুন ধরানোর ঘটনা সেই ব্যক্তিরাই ঘটিয়েছে, যারা তার সঙ্গে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধে জড়িত ছিল।

আমিরুল ইসলাম তার অভিযোগে উল্লেখ করেন যে, আগুন ধরানোর সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন দুটি গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী: মোহাম্মদ মেহেদী হাসান এবং মোহাম্মদ ইসরাইল। এর আগে, উক্ত জমিজমা বিরোধের কারণে কুষ্টিয়া ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অভিযোগের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা হলেন:
১. মোহাম্মদ শিহাবুল ইসলাম (২৯)
২. মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম (৪৫)
৩. মোহাম্মদ সুরুজ আলী (৩৫)
৪. মোহাম্মদ তয়রান (২৫)
৫. মোছা: শামছুন নাহার (৫৫)
৬. মোছা: রাফিয়া খাতুন (৪৫)
৭. মোছা: শাহানা খাতুন (৪৫)
৮. মোছা: মারিয়া খাতুন (৪২)
৯. মোছা: সোহানা খাতুন (৩২)

এ বিষয়ে ভেড়ামারা থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর