শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
তাড়াশ পৌরসভায় দুস্থ ও অতিদরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্যশস্য বিতরণ থানচিতে ক্যাথলিক রিলিফ সার্ভিস বিতরণ। হরিনাকুন্ডুতে ভ্রাম্যমান আদালতে এক জনের এক মাসের কারাদণ্ড থানচিতে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী নিয়ে ইউনিয়ন পর্যায়ে সংলাপ। তাড়াশে সাবেক এমপি আব্দুল মান্নান তালুকদারের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ধামরাইয়ে কলাবাগানে নিয়ে গৃহকর্মীকে ধর্ষণ, থানায় মামলা ১৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের উদ্যোগে বাকলাইপাড়া আর্মি ক্যাম্পে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। ভেড়ামারায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে আগাম সতর্কতার আহ্বান শফিকুল ইসলাম ডাবলুর লাখো লাখো ভক্তের জয়ধ্বনি ও রথটানের মধ্য দিয়ে ধামরাইয়ে শুরু হলো ঐতিহাসিক শ্রী শ্রী যশ মাধবের রথযাত্রা উৎসব দুর্গম পাহাড়ের বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

কমলনগরের চর কাদিরায় ভুলুয়া নদী দখল–রাতের আঁধারে মাছ বিক্রির অভিযোগ, স্থানীয়দের ক্ষোভ চরমে

প্রতিবেদকের নাম / ২১৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৫

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:
লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার ৮নং চর কাদিরা ইউনিয়নের ৪ ও ৫নং ওয়ার্ডের সীমান্তবর্তী ‘ভাইরাল ব্রিজ’ খ্যাত এলাকার ভুলুয়া নদীতে পানি কমে যাওয়ার সুযোগে নদীর বিভিন্ন স্থানে বাঁধ নির্মাণ করে দখল ও রাতের আঁধারে মাছ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই ভুলুয়া নদীর বিভিন্ন অংশে বাঁধ দিয়ে পানি আটকিয়ে মাছ ধরা ও বিক্রির মাধ্যমে ব্যক্তিগত লাভবান হচ্ছে স্থানীয় কয়েকজন নেতা। সরকারি এই নদী দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষ আনন্দের সাথে মিলেমিশে মাছ ধরার স্থান হলেও বর্তমানে তা দখলে নিয়ে বাণিজ্যে পরিণত করা হয়েছে।


স্থানীয়রা জানান, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও সেক্রেটারীর নির্দেশে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি নদীতে কৌশলে বাঁধ তুলে মাছ ধরে রাতের অন্ধকারে বিক্রি করে দিচ্ছে। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।

ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. হারুনুর রশীদ জানান,
“গতকাল (১৮/১১/২৫ইং) মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমি সঙ্গে সঙ্গে চৌকিদার পাঠিয়ে মাছ ধরা বন্ধ করাই। কিন্তু পরে রাতের আঁধারে খোরশেদ ও রুবেল নামে দুই ব্যক্তি ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও সেক্রেটারীর নামের কথা উল্লেখ করে ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে মাছগুলো হারুনের কাছ থেকে কিনে নিয়ে যায় বলে খবর পাই।”

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন,
“নদী বা খালের মাছ কেউ ব্যক্তিগতভাবে দখল করে বিক্রি করার আইনগত অধিকার নেই। বিষয়টি আমি জেনেছি এবং দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।”

ওয়ার্ড বিএনপির সেক্রেটারী হারুনের মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

স্থানীয়রা জানান, নদী দখল ও অবৈধ মাছ বিক্রির সাথে জড়িতদের দ্রুত আইনগত বিচারের আওতায় আনা না হলে নদীর পরিবেশ, প্রবাহ এবং সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক অধিকার চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর