স্মৃতি রোমন্থনে আপোষহীন দেশনেত্রীর মানবিক ও সাহসী নেতৃত্ব
লিটন, মোক্তার, আক্কাছ (নিজস্ব প্রতিবেদক):
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি বিরোধী দল হিসেবে সংসদে যোগদান করে। আল্লাহর অশেষ রহমত ও দেশনায়ক তারেক রহমানের স্নেহে নবম জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় চীফ হুইপের পিএস হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ লাভ করি।
সে সময় তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকার সংসদে বিরোধী দলের প্রাপ্য প্রায় সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা বন্ধ করে দেয়। কেবল বিরোধীদলীয় নেতার সুযোগটুকু বহাল রাখা হয়। এমন প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দলীয় নেতাকর্মীদের পাশে থেকে মানবিক নেতৃত্বের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
বাজেট অধিবেশন চলাকালে সংসদ ভবনের অফিস কক্ষে প্রবেশ করতেই সালাম দেওয়ার আগেই তিনি আমাকে বলেন—
“তোমার অফিসের যাবতীয় প্রয়োজনীয় জিনিস আমার তহবিল থেকেই পাবে। ফারুক আমরা উত্তরাঞ্চলের লোক, ওর দিকে খেয়াল রাখিও।”
একজন ক্ষুদ্র কর্মীর প্রতিও দেশনেত্রীর এমন আন্তরিক খোঁজখবর আমাকে গভীরভাবে বিস্মিত ও আবেগাপ্লুত করে তোলে।
২০১১ সালের ৭ জুলাই পুলিশি নির্যাতনের শিকার ফারুক স্যারকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন দেশনেত্রী। একই সময়ে গুলশান অফিসে আমাকে ডেকে তিনি বলেন—
“আজ থেকে এ্যানি ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পালন করবে। দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে গেলে বাধা আসবেই—ভয় নেই, আমি পাশে আছি।”
এই কথাগুলো আজও আমাদের জন্য সাহস, শক্তি ও অনুপ্রেরণার চিরন্তন উৎস হয়ে আছে।
সাহস ও মানবিকতার প্রতীক, প্রিয় আপোষহীন দেশনেত্রী—
আল্লাহ তায়ালা আপনাকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করুন।
আমিন।








