হিমেল বাতাস ও ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন সন্দ্বীপ, দুপুর দুইটা পর্যন্ত দেখা মেলেনি সূর্যের
আমিনুল ইসলাম রিয়াদ
সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
উপকূলীয় দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপে শীতের তীব্রতা দিন দিন বাড়ছে। হিমেল বাতাস ও ঘন কুয়াশার কারণে জনজীবন চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। আজ সকাল থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত সূর্যের কোনো দেখা মেলেনি, ফলে সারাদিনই শীতের প্রকোপ তীব্রভাবে অনুভূত হয়েছে।
সূর্যের আলো না থাকায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন দিনমজুর, জেলে, রিকশাচালকসহ খেটে খাওয়া মানুষজন। অনেকে কাজে বের হতে না পারায় পরিবার নিয়ে পড়েছেন আর্থিক সংকটে। একই সঙ্গে শীতের কারণে স্কুলগামী শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে ঠান্ডাজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও বাড়ছে।
স্থানীয়রা জানান, ভোররাত থেকেই ঘন কুয়াশায় চারপাশ ঢেকে যায়। কুয়াশার কারণে রাস্তাঘাটে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় যানবাহন চলাচলে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হচ্ছে। নদীপথে চলাচলকারী ট্রলার ও নৌযানগুলোও ধীরগতিতে চলাচল করছে, ফলে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে বিলম্ব দেখা দিয়েছে।
সন্দ্বীপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, শীতজনিত সর্দি-কাশি, জ্বর ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। চিকিৎসকরা শিশু ও বয়স্কদের উষ্ণ কাপড় পরিধান ও বাড়তি যত্ন নেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
এদিকে শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ শুরু হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বলে জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সমাজকর্মীরা। তারা দ্রুত সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শীতের এই পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। এ অবস্থায় সকলকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পাশাপাশি অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।







