গৌরনদীতে বিএনপি নেত্রী পরিচয়ে ব্যক্তিগত শত্রুতা নিয়ে হামলা
স্টাফ রিপোর্টার বরিশালঃ বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বেজগাতী গ্রামে ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে হামলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক নারী নেত্রীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অন্তত একজন আহত এবং ঘরবাড়ি ভাংচুর সহ লুটপাট হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রবাসী খালেক সরদার প্রায় চার বছর আগে গৌরনদী উপজেলার এক নারী রাজনৈতিক কর্মী তার নিজ ব্যাক্তিগত শত্রুতার বিরোধের জেরে স্বামীর বোন শেফালী বেগম (৫৬)একজন আহত হয়। গৌরনদী মডেল থানায় অভিযোগ সুত্রে জানাজায় প্রবাসী খালেক সরদার গত ৫ বছর আগে ফিটিং দিয়ে তাকে ব্লাক মেইল করে কথিত উপজেলা বিএনপি মহিলা দলের নেত্রী তানিয়া আক্তারকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে বিয়ে করেন। প্রথম স্ত্রী রুমি বেগমের দাবি করে বলেন। পরিকল্পিতভাবে তাকে পারিবারিকভাবে চাপে ফেলে ভুয়া শালিসী ভয় দেখিয়ে মাধ্যমে ডিভোর্সে বাধ্য করা হয়।এবং তার ২ কন্যা মেরে ফেলার হুমকি দায়। ডিভোর্সের পর থেকে প্রাক্তন স্বামীর সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ নেই বলেও জানান তিনি।
শেফালী বেগম অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তানিয়া আক্তার একটি রাজনৈতিক দলের মহিলা সংগঠনের নেত্রী হিসেবে সক্রিয় হয়ে ওঠেন এবং বিভিন্ন সময় মোবাইল ফোনে তাদের হুমকি দিয়ে আসছিলেন। ক্ষমতার অপব্যাবহার করে প্রতিনিয়ত টর্চার করে আসছে। খালের সরদার পরিবার তানিয়াকে মেনে না নেয়ওয়ার ক্ষোপে গত ২৪ তারিখ দুপুর আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে ১০-১৫ জন লোক নিয়ে খালেক সরদার বোনের পৌর মহল্লার গোর্বদ্ধোন খালেক সরকারের একক বসত বাড়িতে তারা পরিকল্পিত হামলা চালায় এবং অন্য সন্তান তাজ মাহাম্মুদ কে খালেক মাহমুদ পিতার হিসেবে পরিচয় দেওয়ায়। খালেক মাহমুদ নিজ সন্তানকে অধিকার বঞ্চিত করার পতিবাদে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে রুমি বেগমের ২ মেয়েসহ ননোতের মেয়ে শারমিন আক্তার ও ননোত খালের সরদার বোন শেফালী বেগম আহত হন। এছাড়া ঝগড়া থামাতে এগিয়ে এলে জহুর আলী নামের এক ব্যক্তিকেও মারধর করা হয় বলে জানানো হয়।
এ ঘটনায় গৌরনদী মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত তানিয়া আক্তারের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে তার সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে
অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।







