মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
তাড়াশে ধাপ ওয়াশীন উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মান উন্নয়নে মতবিনিময় সভা থানচিতে ৩৮ বিজিবির অভিযান ও মানবিক কার্যক্রমে প্রেস ব্রিফিং। পিরোজপুর জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রতিমন্ত্রীর বিভিন্ন দিকনির্দেশনা Paoloscarpasindaco: Redefining the Art of Football Boots Through Craftsmanship and Feel নেছারাবাদের গণমান থেকে আইনাঙ্গনের আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মোহাম্মদ ছফওয়ান তাড়াশে চলনবিল পুনরুদ্ধারে সম্ভাব্যতা যাচাই নিয়ে মতবিনিময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা অপপ্রচারের অভিযোগ শাহ আলম ফকিরের দৌলতপুরে শিক্ষিকার বদলি ঠেকাতে মানববন্ধনে হামলা, আহত ১০-১২ থানচিতে পর্যটকবাহী চাঁদের গাড়ি দুর্ঘটনায় নিহত ২, আহত ৫।

থানচিতে চৈত্র সংক্রান্তি বৈসাবি উৎসব উদযাপন, পুরাতনকে বিদায় নতুনকে বরণ।

প্রতিবেদকের নাম / ২৩৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:বান্দরবানের থানচিতে চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর অন্যতম বৃহৎ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উৎসব বৈসাবি—বৈসু, সাংগ্রাই ও বিজু যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হয়েছে। পুরাতন বছরকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে বরণ করতে নানা আচার-অনুষ্ঠান ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করা হয়।
সোমবার(১৩ এপ্রিল) উৎসবকে কেন্দ্র করে উপজেলার বিভিন্ন পাড়া ও গ্রামের সকাল থেকেই উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে। ত্রিপুরা, মারমা, চাকমা, ম্রো ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষ নিজ নিজ ঐতিহ্য অনুযায়ী বৈসু, সাংগ্রাই ও বিজু পালন করেন। ঘরবাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা, ফুল সংগ্রহ, ফুল ভাসানো, ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরিধান, এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করা হয়।

চাকমা সম্প্রদায়ের বিজু উৎসবে নদী ও জলাশয়ে ফুল ভাসিয়ে পুরাতন বছরের সকল গ্লানি ও দুঃখ দূর করার প্রতীকী আচার পালন করা হয়েছে গতকাল। মারমা সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই উৎসবে জলকেলি (পানি ছিটানো) অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে দেখা যায়, যা নতুন বছরের শুভ কামনার প্রতীক। অন্যদিকে ত্রিপুরা সম্প্রদায় বৈসু উৎসবে ঐতিহ্যবাহী নৃত্য-গীত ও নানা সামাজিক আচার পালন করে।
এছাড়া উৎসব উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, লোকজ নৃত্য, গান এবং খেলাধুলার আয়োজন করা হয়। বিভিন্ন বয়সের মানুষ এতে অংশগ্রহণ করে উৎসবকে প্রাণবন্ত করে তোলে। তরুণ-তরুণীদের অংশগ্রহণে পুরো এলাকা হয়ে ওঠে আনন্দঘন ও রঙিন।
স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরাও উৎসবে অংশ নিয়ে সকল সম্প্রদায়ের মাঝে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার আহ্বান জানান। তারা বলেন, বৈসাবি উৎসব শুধু একটি সম্প্রদায়ের নয়, বরং পার্বত্য অঞ্চলের সকল মানুষের মিলনমেলা, যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
উৎসবটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় স্থানীয়রা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের ঐতিহ্যবাহী উৎসব আরও ব্যাপক আকারে উদযাপনের আশা ব্যক্ত করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর