শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
তাড়াশ পৌরসভায় দুস্থ ও অতিদরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্যশস্য বিতরণ থানচিতে ক্যাথলিক রিলিফ সার্ভিস বিতরণ। হরিনাকুন্ডুতে ভ্রাম্যমান আদালতে এক জনের এক মাসের কারাদণ্ড থানচিতে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী নিয়ে ইউনিয়ন পর্যায়ে সংলাপ। তাড়াশে সাবেক এমপি আব্দুল মান্নান তালুকদারের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ধামরাইয়ে কলাবাগানে নিয়ে গৃহকর্মীকে ধর্ষণ, থানায় মামলা ১৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের উদ্যোগে বাকলাইপাড়া আর্মি ক্যাম্পে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। ভেড়ামারায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে আগাম সতর্কতার আহ্বান শফিকুল ইসলাম ডাবলুর লাখো লাখো ভক্তের জয়ধ্বনি ও রথটানের মধ্য দিয়ে ধামরাইয়ে শুরু হলো ঐতিহাসিক শ্রী শ্রী যশ মাধবের রথযাত্রা উৎসব দুর্গম পাহাড়ের বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

থানচিতে চৈত্র সংক্রান্তি বৈসাবি উৎসব উদযাপন, পুরাতনকে বিদায় নতুনকে বরণ।

প্রতিবেদকের নাম / ১৯৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:বান্দরবানের থানচিতে চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর অন্যতম বৃহৎ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উৎসব বৈসাবি—বৈসু, সাংগ্রাই ও বিজু যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হয়েছে। পুরাতন বছরকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে বরণ করতে নানা আচার-অনুষ্ঠান ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করা হয়।
সোমবার(১৩ এপ্রিল) উৎসবকে কেন্দ্র করে উপজেলার বিভিন্ন পাড়া ও গ্রামের সকাল থেকেই উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে। ত্রিপুরা, মারমা, চাকমা, ম্রো ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষ নিজ নিজ ঐতিহ্য অনুযায়ী বৈসু, সাংগ্রাই ও বিজু পালন করেন। ঘরবাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা, ফুল সংগ্রহ, ফুল ভাসানো, ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরিধান, এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করা হয়।

চাকমা সম্প্রদায়ের বিজু উৎসবে নদী ও জলাশয়ে ফুল ভাসিয়ে পুরাতন বছরের সকল গ্লানি ও দুঃখ দূর করার প্রতীকী আচার পালন করা হয়েছে গতকাল। মারমা সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই উৎসবে জলকেলি (পানি ছিটানো) অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে দেখা যায়, যা নতুন বছরের শুভ কামনার প্রতীক। অন্যদিকে ত্রিপুরা সম্প্রদায় বৈসু উৎসবে ঐতিহ্যবাহী নৃত্য-গীত ও নানা সামাজিক আচার পালন করে।
এছাড়া উৎসব উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, লোকজ নৃত্য, গান এবং খেলাধুলার আয়োজন করা হয়। বিভিন্ন বয়সের মানুষ এতে অংশগ্রহণ করে উৎসবকে প্রাণবন্ত করে তোলে। তরুণ-তরুণীদের অংশগ্রহণে পুরো এলাকা হয়ে ওঠে আনন্দঘন ও রঙিন।
স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরাও উৎসবে অংশ নিয়ে সকল সম্প্রদায়ের মাঝে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার আহ্বান জানান। তারা বলেন, বৈসাবি উৎসব শুধু একটি সম্প্রদায়ের নয়, বরং পার্বত্য অঞ্চলের সকল মানুষের মিলনমেলা, যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
উৎসবটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় স্থানীয়রা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের ঐতিহ্যবাহী উৎসব আরও ব্যাপক আকারে উদযাপনের আশা ব্যক্ত করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর