https://www.profitablecpmratenetwork.com/jkbv3chnk3?key=f703ec2f3d153f1792fcf7f58f3d081a
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৭:৫২ অপরাহ্ন

থানচিতে সেনাবাহিনীর মানবিক সহায়তা ও মেডিক্যাল ক্যাম্পেইন।

প্রতিবেদকের নাম / ২ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬

থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:পার্বত্যাঞ্চলের জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। জিওসি, ২৪ পদাতিক ডিভিশন এবং কমান্ডার, ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার আওতাধীন ১৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট দায়িত্বপূর্ণ বাকলাই পাড়া আর্মি ক্যাম্প পরিদর্শন করেন এবং বাকলাই পাড়া সাবজোনের আওতাধীন পাড়াবাসীদের সাথে মতবিনিময় করেন।

মতবিনিময়ে পাড়াবাসী তাদের জীবনযাত্রার মান, এবং তাদের বিভিন্ন চাহিদা উপস্থাপন করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট আওতাধীন বাকলাই পাড়া সাবজোনের উদ্যোগে বাকলাই পাড়া আর্মি ক্যাম্পের অধীনস্থ ১০টি পাড়ায় বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ ও মেডিক্যাল ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়।
একই সাথে ২৪ মে বাকলাই পাড়া সেনা সাবজোন ক্যাম্পে আয়োজিত কার্যক্রমে পাড়াবাসীদের মাঝে সোলার প্যানেল, ১৫০টি চেয়ার, একটি সাউন্ড বক্স, দুটি ৩০০ লিটার পানির ট্যাংক এবং গির্জা ঘর ও কিয়াং ঘরের জন্য ১৮ বান টিন বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগণের মাঝে বিনামূল্যে ঔষধ বিতরণ এবং চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়।

এছাড়াও প্রাতা পাড়ার মৃত রনি বমের ছেলে রোয়াল থান লিয়ান বম (পাথান বম) চিকিৎসার জন্য আর্থিক ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি বাশিরাম পাড়ার ভক্তিরানি ত্রিপুরাকে শিক্ষা সহায়তা এবং শেরকর পাড়ার কারবারি তুমথম বমের চিকিৎসার জন্য আর্থিক ও চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হয়।
এ সময় স্থানীয় জনগণ সেনাবাহিনীর এ ধরনের মানবিক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। প্রাতা পাড়ার কারবারি পারকেলিং বম বলেন, “সেনাবাহিনী আছে বলেই আমরা পাহাড়ে সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে পারছি। তারা সবসময় আমাদের সুখে-দুঃখে পাশে ছিল এবং এখনও আছে।”
বাকলাই পাড়া আর্মি ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার জানান, বম জনগোষ্ঠীর প্রত্যাবর্তন, পুনর্বাসন, চিকিৎসা সহায়তা, আর্থিক সহযোগিতা এবং প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী সরবরাহসহ সার্বিক উন্নয়নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অতীতের মতো ভবিষ্যতেও কাজ করে যাবে। পাশাপাশি তিনি নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে সকলকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।
পার্বত্য চট্টগ্রামে নিয়োজিত সেনাবাহিনী ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, মমতা ও ভ্রাতৃত্বের যে বন্ধন গড়ে উঠেছে, এ আয়োজন তারই আরেকটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর